গোলাপী করবী ফুলের চারা | Pink Nerium Plant
Share with -
ছাদ বা ব্যালকনি বাগানে Nerium Red গাছে প্রচুর ফুল ফোটানোর বিশেষ উপায়
আমাদের প্রিয় ফুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হল Nerium Red। টকটকেNerium Red কে আমরা বলি, রক্তকরবী। এছাড়া সাদা বা শ্বেতকরবী, গোলাপি করবীও আমাদের খুব পরিচিত। পাঁপড়ির রকমফের অনুসারে করবী ফুল দু'রকমের হয়ে থাকে, যথা—সিঙ্গল পেটাল এবং ডাবল পেটাল বা থোকা। অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য দুটোই আমাদের খুব প্রিয়।
অনেকেই মনে করেন যে সাদা করবী বাড়িতে থাকা ভালো। কেননা , কারও মতে, তাতে নাকি বাড়িতে সাপ আসে না। আবার কারও মতে, বাড়িতে এই গাছ থাকলে সুখ-সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, এ-সব নিছকই কুসং এর মধ্যে সত্যতা কিছুই নেই। তবে শ্বেতকরবী বিশেষ কিছু কিছু পুজোয় প্রয়োজন হয়। এর বাইরে নির্মল শুভ্র সৌন্দর্য ছড়ানো ছাড়া এই ফুল বা ফুলগাছের অলৌকিক কোন ক্ষমতা নেই।
যাই হোক, আমরা রাস্তার ধারে বা কারও বাড়িতে মাটিতে জন্মানো করবী গাছ প্রায়শই দেখি। দেখি, বিশাল আকৃতির সেই সব গাছে কোন যত্ন ছাড়াই প্রচুর ফুল ফুটে আছে। এই ধরণের গাছ এমনিতেই প্রচুর ফুল দেয়। তবে ওই সব গাছের বিশাল আকার দেখে ঘাবড়াবার কিছু নেই। খুব সহজেই সাধের ছাদবাগান বা ব্যালকনিবাগানের টবে এই গাছ করা যায় এবং তার উচ্চতা আয়ত্তের মধ্যেই রাখা যায়। তবে টবে এই গাছ থেকে প্রচুর ফুল পাওয়ার জন্য এই গাছের স্বভাব-চরিত্র সম্পর্কে যেমন জানতে হবে, তেমনি করতে হবে কিছু সহজ অথচ বিশেষ পরিচর্যা। এই সমস্ত বিষয়গুলোই এবার একে একে বলছি:
Nerium Red সারা বছর ফুল দেয় না। এর ফুলের সিজন হল মার্চ থেকে অক্টোবর বা নভেম্বরের শুরু অব্দি। শীতে এই গাছ ফুল দেয় না। কিছু ব্যতিক্রমী গাছ হয়তো সামান্য ফুল দেয়। মোট কথা, শীতকাল এই গাছের ঘুমের সময়। জাগে ফেব্রুয়ারির শেষ বা মার্চের শুরুতে। নতুন গাছ বছরের যে-কোন সময়েই বসানো যায়। তবে এখন বসালে উপযুক্ত পরিচর্যায় এক মাসের মধ্যেই ফুল পাবেন। বাজারে স্থানভেদে তিরিশ থেকে সত্তরের মধ্যে এই গাছের চারা পাওয়া যায়। যাই হোক, চারা সংগ্রহের পর প্রথমেই যেটা তৈরি করতে হবে, তা হল উপযুক্ত মাটি।
