প্রযুক্তিগত তথ্য
-
উপাদান: এতে দুটি কার্যকরী উপাদান রয়েছে— অ্যাজোক্সিস্ট্রবিন (২০০ গ্রাম/লিটার) এবং ডাইফেনোকোনাজল (১২৫ গ্রাম/লিটার)।
-
কাজের ধরন: এটি গাছের ভেতরে প্রবেশ করে ছত্রাকের শক্তি উৎপাদন বন্ধ করে দেয় এবং নতুন করে বংশবৃদ্ধি রোধ করে।
-
প্যাকিং সাইজ: ৫০ মিলি (ছোট বাগান বা নির্দিষ্ট জমির জন্য আদর্শ)।
কোন কোন রোগে কার্যকর?
অ্যামিস্টার টপ মূলত নিচের রোগগুলো দমনে দারুণ কাজ করে:
-
ধান: ব্লাস্ট (Blast) এবং খোলপচা রোগ।
-
টমেটো ও আলু: আগাম ধসা (Early Blight) এবং নাবি ধসা (Late Blight)।
-
আম: অ্যানথ্রাকনোজ এবং পাউডারি মিলডিউ।
-
মরিচ: ফল পচা বা ডাইব্যাক (Dieback)।
-
শাক-সবজি: পাতার দাগ রোগ এবং মরিচা (Rust) রোগ।
ব্যবহারের মাত্রা (৫০ মিলি বোতলের জন্য)
সাধারণত প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি অ্যামিস্টার টপ মেশাতে হয়।
-
১০ লিটার পানি: ১০ মিলি অ্যামিস্টার টপ।
-
১৬ লিটার (পুরো ১ ড্রাম): ১৬ মিলি অ্যামিস্টার টপ।
-
৫০ মিলি বোতল দিয়ে: প্রায় ৩ থেকে ৪ ড্রাম (১৬ লিটারের) স্প্রে করা সম্ভব।
বিশেষ সুবিধা
১. গ্রিনিং ইফেক্ট: এটি ব্যবহারের পর গাছ অনেক বেশি সতেজ এবং গাঢ় সবুজ দেখায়। ২. বৃষ্টির ভয় কম: স্প্রে করার ২-৩ ঘণ্টা পর বৃষ্টি হলেও এর কার্যকারিতা নষ্ট হয় না। ৩. প্রতিরোধ ও নিরাময়: রোগ হওয়ার আগে দিলে রোগ আসে না, আর হওয়ার পরে দিলে দ্রুত সেরে যায়।
সতর্কতা
-
বিষক্রিয়া: এটি মাছের জন্য ক্ষতিকর, তাই পুকুরের কাছে স্প্রে করার সময় সাবধান থাকুন।
-
ব্যক্তিগত সুরক্ষা: স্প্রে করার সময় অবশ্যই মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করবেন।
-
ফসল সংগ্রহ: স্প্রে করার অন্তত ৭-১৪ দিনের মধ্যে সেই ফসল বা সবজি খাবেন না (এটিকে PHI বা অপেক্ষমান সময় বলা হয়)।
